বাংলাদেশের সস্তা ডোমেইন হোস্টিং !!

বাংলাদেশে এখন হোস্টিং কোম্পানি এর অভাব নেই আর এখন সবাই নিজেদের সেরা বলে। কিন্তু কিভাবে সেরা ?

নিচের প্রশ্ন গুলো করুন করুন:

১. আপনাদের কোম্পানি কত দিনের
২. স্টাফ কত জন আছে
৩. তাদের কি নিজস্ব সার্ভার আছে কিনা
৪. তাদের ওয়েবসাইট প্রফেশনাল কিনা
৫. তাদের অটোমেটেড পেমেন্ট মেথড আছে কিনা
৬. তাদের কোম্পানি বাংলাদেশী রেজিস্টার কিনা
৭. তারা কোনো অর্গানেসন এর মেম্বার কিনা
৮. অফার ডোমেইন অন্য কোনো সাইট থেকে কিনে আপনাকে দেয় কিনা

এইগুলো জানলে আপনি সহজেই বুজতে পারবেন কোম্পানি এর ভ্যালু সম্পর্কে, যে কোম্পানি এর ভ্যালু বেশি তারা কখনোই আপনাকে ঠকাবে না কারণ তারা চায় ভাল সার্ভিস দিয়ে বাজারে থাকতে আর যারা শুধু একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে আর রিসেলার নিয়ে কোম্পানি শুরু করে তাদের ভ্যালু সমান হবে না, আরো কিছু বিষয়

যদি কোন কোম্পানি তে ১ জন লোক লাইভ এবং অন্নান্য সাপোর্ট দেয় ওই কোম্পানি এর লোক বাবদ কোম্পানির মাসিক খরচ লাগে না কারণ সে নিজেই কাজ করে

আর যদি ওই কোম্পানি তে ৪ এর অদিক লোক কাজ করে এমন কি ছুটির দিনে সাপোর্ট পান তাহলে কোম্পানির মাসিক খরচ ৫০ হাজার টাকা ওপরে

যে কোম্পানির মাসিক খরচ বেশি সেটা হোস্টিং ব্যবসাকে তত বেশি গুরুত্ব দেয়। সে হুট হাট করে আপনার ডোমেইনে হোস্টিং ফেলে গায়েব হয়ে যাবে না।

আর যে কোম্পানি মাসিক খরচ কম, সম্ভাবনা বেশি সে ব্যক্তিগত ভাবে বাসায় বসে হোস্টিং ব্যবসায় নিজের ভাগ্য পরিক্ষা করে দেখছে।

এছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের হোস্টিং কোম্পানির জন্য না করলেও চলে।

এভাবেই ৯৫% কোম্পানির অবস্থা আপনি সহজে বুঝে যাবেন। ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।